স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর আহ্বান

১০ জুন, ২০২৩ ১৭:০৯  

বর্তমান বিশ্বে চাকরির বাজার বিশ্লেষণ করে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানিয়েছেন খাতটি নিয়ে কাজ করা সরকারি, বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্টরা। শনিবার স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো আয়োজনে ‘স্মার্ট এমপ্লয়মেন্ট শেপিং দ্য ফিউচার অব লার্নিং ইন দ্য স্মার্ট এরা’ সেশনে এমন আহ্বান জানান।

সেশনটি সঞ্চালনা করেন এটিএসির কান্ট্রি ডিরেক্টর শুভাশিষ ভৌমিক। সেশনে এটুআইয়ের স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ইনোভেশন স্পেশালিস্ট এইচএম আসাদ-উজ-জামান বলেন, এরইমধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে সরকার বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে সরকার চায় শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষিত ও সুশিক্ষিত করতে দক্ষতার বিষয়গুলো যুক্ত করছে। উচ্চশিক্ষায় গত কয়েক বছরে ইউজিসি এর একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। যা সামনের দিনে আরও আনবে। তবে এর জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সিএএমপিই’র নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, স্মার্ট শিক্ষাব্যবস্থায় এখন সবচেয়ে বেশি উচ্চারণ হচ্ছে কোলাবোরেশন ও পার্টনারশিপ। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইনোভেশন নেই বলে বলা হয়, যা সঠিক নয়। তবে প্রযুক্তিগত ইনোভেশন হয়তো কম, কিন্তু বছরের প্রথম দিনে বই পৌছে যাচ্ছে। এটাও একটা ইনোভেশন। তবে এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার করে করা গেলে আরও সহজ হবে। সরকারের দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি খাতেরও এক্ষত্রে অবদান রাখতে হবে। তিনি এসময় শিক্ষা বিস্তারে মূলধারার সঙ্গে প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান। এ জন্য প্রতিনিয়ত আপডেট সায়েন্টিফিক ডেটা সংগ্রহের কথা জানান।

হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়ার ক্লাউড সল্যুশনের পরিচালক এসএম জুবায়ের আল মাসুদ বলেন, শিক্ষার্থীরা এখন অনেকটাই জেনে বুঝে আসছেন। কিন্তু আমাদের প্রয়োজন এখন স্কিললড শিক্ষা। তিনি শিক্ষারক্ষেত্রে শহরের মতো গ্রামের শিক্ষার্থীদের সমান সুবিধা দিতে নেটওয়ার্কিং সিস্টেমকে আরও জোরালো করার কথা বলেন। সে সঙ্গে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বাড়ানো, ভালো মানের কনটেন্ট তৈরির ওপর জোর দেন। 

টেন মিনিট স্কুলের সহপ্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আবইয়াদ বলেন, টেনমিনিট স্কুল সবসময় স্মার্ট শিক্ষাব্যবস্থার কথা বলে। একটা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে টেন মিনিট স্কুল দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়। এটা কীভাবে আরও উন্নত করা যায় তা নিয়ে কাজ চলছে। এক্ষেত্রে এআই ব্যবহার করার প্রবণতা বাড়াতে হবে।